Welcome to my blog. there is I will try to show you of the world Nature and Cultures..thanks

পাকা তালের পিঠা সকলের কাছে খুব প্রিয়

পাকা তালের পিঠা সকলের কাছে খুব প্রিয়,nature,palm,

তাল এবং গাছ পরিচিতি 

তাল গ্রীষ্মকালীন এক ধরণের সুস্বাদু ফল। কাঁচা অবস্থায় তালের শ্বাস ও পাকা অবস্থায় তাল দিয়ে তৈরি পিঠা খেতে খুব মজা। তালের রসে তৈরি পিঠা খেতে ভারি মজা। গ্রাম বাংলায় তালের পাটালির বহুল ব্যবহার রয়েছে। তালের আচার ও পাটালি সকলের কাছে খুবই প্রিয়। এছাড়া তালপাতার পাখার বাতাসে সকলের মন জুড়িয়ে যায়। বিলুপ্তিপ্রায় বাবুই পাখি বাসা বাঁধে এই তাল গাছের পাতায়। এছাড়া শিশুরা কাঁচা তালের বীজ দিয়ে বিশেষ এক ধরণের গাড়ি তৈরি করে খেলা করে। 

গ্রামে-গঞ্জে, রাস্তার পাশে, মাঠে-ঘাটে তাল গাছ দেখা যায়। তাল গাছ লম্বায় ৩৫-৪০ ফুট পর্যন্ত হতে পারে। এর আয়তন ছয় থেকে ১৫ ফুট। তালের কাণ্ড শক্ত প্রকৃতির। এর ভিতরটা ফাঁপা।
তাল গাছের পাতা লম্বা ডাটার মাথায় যুক্ত থাকে। প্রতিটি পাতায় অসংখ্য খণ্ডে বিভক্ত থাকে। পাতার ডাটার দুই পাশ করাতের মতো ধারালো। প্রতিটি ডাটার গোড়ার দিক ইংরেজী V অক্ষরের মতো। এর পাতার অগ্রভাগ সুচালো ধরণের।

তালের ধরণ 

তালের আকার ও আকৃতি উপবৃত্তাকার। কাঁচা অবস্থায় তালের বাইরের অংশ মসৃণ কিন্তু পাকলে এর ত্বক কিছুটা অমসৃণ হয়। কাঁচা অবস্থায় এটি শক্ত প্রকৃতির হয়। কাঁচা অবস্থায় এর শ্বাস খেতে খুব মজা। কিন্তু তাল পাকলে নরম প্রকৃতির হয়। পাকা তাল পিঠা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। পাকা তাল থেকে অনেকে পাটালিও তৈরি করে থাকে। এছাড়া পাকা তালের বীজ বা আটি থেকেও এক ধরণের শ্বাস পাওয়া যায়।

তালের পিঠা জনপ্ৰিয় খাবার 

সাতক্ষীরা অঞ্চলে এটি তাল নামে অধিক পরিচিত। এই অঞ্চলের মানুষের কাছে কাঁচা তালের শ্বাস খুবই প্রিয়। এছাড়া তালের রস, পিঠা, পাটালি, গুড় সকলেই মজা করে খায়। এছাড়া পাকা তালের পিঠা (বড়া) সকল মানুষের কাছে খুবই প্রিয়। সাতক্ষীরা অঞ্চলে তাল পাতার পাখাও তৈরি হয়। যা প্রচণ্ড গরমে মানুষকে প্রশান্তি দেয়।

তাল পাতার ব্যবহার 

তাল পাতা দিয়ে ঘর ছাওয়া, হাতপাখা, তালপাতার চাটাই, মাদুর, আঁকার পট, লেখার পুঁথি, কুণ্ডলী পুতুল ইত্যাদি বহুবিধ সামগ্রী তৈরি হয়। তালের কাণ্ড দিয়েও বাড়ি, নৌকা, হাউস বোট ইত্যাদি তৈরি হয়।

খাদ্য তালিকা 

তালের ফল এবং বীজ দুইই বাঙালি খাদ্য। তালের ফলের ঘন নির্যাস থেকে তাল ফুলুরি তৈরি হয়। তালের বীজও খাওয়া হয় লেপা বা ‘তালশাঁস’ নামে। তাল গাছের কাণ্ড থেকেও রস সংগ্রহ হয় এবং তা থেকে গুড়, পাটালি, মিছরি, তাড়ি (একপ্রকার চোলাই মদ) ইত্যাদি তৈরি হয়। তালে রয়েছে ভিটামিন এ, বি ও সি, জিংক, পটাসিয়াম, আয়রন ও ক্যালসিয়ামসহ আরো অনেক খনিজ উপাদান। এর সাথে আরো আছে অ্যান্টি অক্সিজেন ও এ্যান্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান। তবে তাল কেনার সময় নরম তাল কেনা উচিৎ। কারণ বেশি পাকা তাল হজম করতে সমস্যা হয়।’


Share:
Location: Bangladesh

0 comments:

Post a Comment

Search This Blog

Powered by Blogger.

Labels