অকালে চুলপাকা কমায় বহেড়া
গাছের মূল নাম বহেড়া বা অক্ষ হলেও এর স্থানীয় নাম বয়ড়া। এই গাছটি সাধারণত বনজ জাতীয় গাছ। এই গাছ রোপনের দরকার হয় না। পতিত জমির ধারে, জমির আইলে এটি আপনা-আপনি জন্মে। আমাদের দেশের কোনো কোনো অঞ্চল এবং ভারতের ছোটনাগপুর, বিহার, হিমাচল প্রদেশ ও মধ্যপ্রদেশে প্রধানত এ গাছ বেশি দেখা যায়। পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম, বাঁকুড়া ও বর্ধমানের শালবনেও এই গাছ প্রচুর জন্মে।
এই গাছের ব্যবহার্য অংশ হলো ফল ও বাকল। বহেড়া গাছ বেশ বড় হয়। এই গাছ উচ্চতায় ৩০ থেকে ৫০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। গাছের গুড়িও বেশ লম্বা। এর বাকল ধূসর-ছাই রঙের। পাতা কাঁঠাল পাতার মতো মোটা এবং লম্বায় প্রায় ৫ ইঞ্চি। এর ফুল ডিম্বাকৃতির প্রায় ১ ইঞ্চির মতো লম্বা এবং ফল গোল ও ডিম্বাকৃতি—এই দু’রকমের হয়। কাঁচা পাকা বহেড়া ফলের রঙ সবুজ থাকে। পেকে গেলে শুরুতে লাল হয় এবং পরে শুকিয়ে ক্রমশ বাদামী হয়। ফলের বাইরের আবরণ মসৃণ ও শক্ত এবং ভেতরে একটি মাত্র শক্ত বীজ থাকে। গ্রীষ্মকালে এই গাছে ফুল আসে। তারপর ফল হয়। ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে এর ফল পেকে যায় এবং ফল পুষ্ট হলে বোঁটা থেকে খসে পড়ে। এর ফল ও ফলের শাঁস ওষুধ হিসেবে ব্যবহূত হয়। এখানে বহেড়ার কিছু ওষুধি গুণাগুণ তুলে ধরা হলো—
শরীরের ফুলো কমাতে :শরীরের কোনো স্থানে ফুলে গেলে বহেড়ার বিচি বাদ দিয়ে শুধু ছাল বেটে একটু গরম করে নিয়ে ফুলো জায়গায় প্রলেপ দিলে ফুলো কমে যায়। বিস্তারিত জানতে এখানে কিল্ক করুন






